উচ্চ বিদ্যালয়টি শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৫ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়ে বর্তমান সময় পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছে। বয়োজ্যোষ্ঠ ব্যকলারোয়া গার্লস পাইলট হাই স্কুলে বিশ্ব শিক্ষা দিবস ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৩ বিষয়ে আলোচনা করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ বদরুজ্জামান।

ক্তিবর্গের মাধ্যমে জানা যায়, এই বিদ্যালয়টি ১৯৪৫ সালেরও প্রায় এক যুগ পূর্বে মাদ্রাসা / হাই-মাদ্রাসা হিসাবে পরিচালিত হতো। সময়ের প্রবাহে নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমানে দিনাজপুর উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বিদ্যালয়টিতে ডাবল শিফটে (প্রভাতী শাখায় ছাত্রী ও দিবা শাখায় ছাত্র) ৩য় শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করানো হয়। বিদ্যালয়টির দুইটি বৃহৎ দ্বিতল ভবন যাহা পর্যায়ক্রমে ফ্যাসিলিটিস্ ডিপার্টমেন্ট ও বিদ্যালয়ের নিজস্ব উদ্যোগে নির্মিত। বিদ্যালয়টিতে নবম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা এবং সময়ের প্রয়োজনে পেশা ভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এস.এস.সি. ভোকেশনাল কোর্সের সিভিল কন্সট্রাকশন ও কম্পিউটার শাখা চালু রয়েছে। তাছাড়া ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত উভয় শিফটে ক, খ শাখা চালু রয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিদ্যালয়টিতে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপিত হয়েছে, যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে ১৩ আগস্ট ২০১৬ তারিখে শুভ উদ্বোধন করেন। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রায় ১১৫০ এর অধিক ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত। দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ, অভিজ্ঞ শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি সার্বিক উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালন করা হয়। উক্ত দিবসগুলোর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাফল্য অর্জন করে। বিদ্যালয়টির পরিবেশ কোলাহলমুক্ত ও মনোরম। প্রশাসনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতা পেলে অত্র বিদ্যালয়টি শহরের একটি শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসাবে গড়ে উঠবে বলে আমার বিশ্বাস।

